মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

                                        

 

                                       মাগুরা সদর উপজেলার প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

কবি ফররুখ আহমদ

কবি ফররুক আহমদ বৃহত্তর যশোর জেলার বর্তমান মাগুরা জেলার সদর উপজেলাধীন মাঝ-আইল গ্রামে ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দের ১০ই জুন বিখ্যাত সৈয়দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালের ২৯ শে অক্টোবর মাত্র ৫৬ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করেন। তার রচিত কাব্য গ্রন্থাবলি- সাত সাগরের মাঝি, সিরাজুম মুনিরা, নৌফেল ও হাতেম, হাতেম তায়ী-মুহুর্তের কবিতা, হাবেদা মরুর কাহিনী। ছোটদের কবিতা ও ছড়াঃ- হরফের ছড়া, পাখির বাসা, ছড়ার আসর, চিড়িয়াখানা ইত্যাদি। তিনি তাঁর সাহিত্য কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে র্স্বীকৃতি ও পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬১ সনে তিনি প্রেসিডেন্ট পুরস্কার, ‘‘প্রাইড অব পারফরমেন্স’’, ১৯৬৬ সালে অর্স্মজী পুরস্কার ও ইউনেস্কো পুরস্কার, লাভ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি কবিতায় বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান এবং বাংলা একাডেমির ফেলো নির্বাচিত হন।

ডাঃ লুৎফর রহমান

লেখক মাগুরা শহরের সন্নিকটে পারনান্দুয়ালী গ্রামে ১৮৮৯ সালে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৬ সালে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।মহৎজীবন, উন্নত জীবন, পথহারা, মানবজীবন, ছেলেদের মহত্ব কথা, ছেলেদের কারবালা, রাণী হেলেন, প্রীতি উপহার, উচ্চজীবন, বাসর উপহার, রায়হান, সরলা, উত্তম জীবন, সত্য জীবন, ডনকুইকজোটের অনুবাদ, মুসলমান, মঙ্গল ভবিষ্যৎ লেখককের উল্লেখযোগ্য লেখনী। ডাঃ লুৎফর রহমানের প্রথম বই ছিল একখানা কবিতার বই ‘প্রকাশ’। তিনি ‘প্রতিশোধ’ নামক একখানি উপন্যাস লিখেছিলেন। তিনি নারীশক্তি নামক পত্রিকা পরিচালনা করে নারীদের জাগরণের চেষ্টা করেছেন এবং নারী তীর্থ নামক ‘‘আশ্রম’’ প্রতিষ্ঠা করে নারীদের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দ্বারা জীবিকা নির্বাহের পথ সুগম করে ছিলেন।


সৈয়দ আলী আহসান

সৈয়দ আলী আহসান ১৯২২সালে মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ ‘‘চাহার দরবেশ’’ পুঁথি সাহিত্যের উপদানে রচিত। তাঁর অনেক আকাশ ‘একক সন্ধ্যায় বসন্ত’ ‘সহসা সচকিত’ ‘‘উচ্চারণ’’ প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৮৬ সালে ‘আধুনিক কাব্য চেতনা’ এবং ‘মহম্মদ মনিরুজ্জামানের কবিতা’ প্রকাশিত হয়। তিনি কিছু বিদেশী কবিতা ও নাটকের অনুবাদ করেছেন। ‘ইডিপাস’ ‘হুইটম্যানের কবিতা’, ‘ইকবালের কবিতা’, ‘ইভানগলের কবিতা’, মেরিডিথের কবিতা, প্রেমের কবিতা ইত্যাদি। নজরুল ইসলাম, কবি মধুসূদন, কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা, মধুসূদন কবি কৃতি ও কাব্যদর্শ, আধুনিক বাংলা কবিতা শব্দের অনুসঙ্গ, রবীন্দ্র কাব্য বিচারে ভূমিকা ইত্যাদি সমালোচনা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ‘পদ্মাবতী’ ও ‘মধুমালতী’ প্রভৃতি সম্পাদিত গ্রন্থ।


সৈয়েদা সুফিয়া খাতুন (সাহিত্য রত্ন)

সৈয়েদা সুফিয়া খাতুন ১৯২৭ সালে মাগুরা শহরে জন্ম গ্রহন করেন। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর গল্পগুলোর একটা সংকলন প্রকাশ করার জন্য একটি পান্ডুলিপি তিনি কবি গোলাম মোস্তফার  কাছে দিয়েছিলেন। এর কিছুদিন পরেই কবি গোলাম মোস্তফা মৃত্যুবরণ করেন। সৈয়দা সুফিয়া তাঁর পান্ডুলিপিখানি পরে আর ফেরত পাননি। ফলে তাঁর আশা অপূর্নই থেকে যায়। তার আরো একখানা অপ্রকাশিত গ্রন্থের নাম ‘‘স্বপ্ন ছায়া’’। যশোরের ‘‘অবলাকান্ত মজুমদার সাহিত্য পরিষদ’’ সৈয়দা সুফিয়া খাতুনকে তাঁর সাহিত্য কর্মে স্বীকৃতি স্বরূপ সাহিত্যরত্ন ‘‘উপাধিতে ভূষিত করে।