মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে মাগুরা সদর

 

                                                                এক নজরে মাগুরা সদর উপজেলা

  সীমানা:

 এ উপজেলার উত্তরে ঝিনাইদহ জেলার কিছু অংশ ও শ্রীপুর উপজেলা,পূর্বদিকে ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ ও মহম্মদপুর উপজেলা, দক্ষিন ও দক্ষিণ পশ্চিমে শালিখা উপজেলা এবং পশ্চিমে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা অবস্থিত। এই সীমারেখার মধ্যে উপজেলার পূর্বসীমানা ছুঁয়ে কিছু অংশ মধুমতি নদী ও সিংহভাগ নবগঙ্গা নদী যথাক্রমে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলা ও মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলাকে এ উপজেলা হতে পৃথক করেছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমে ফটকী নদী মাগুরা সদর উপজেলা থেকে শালিখা উপজেলাকে পৃথক করেছে। ত্রিসীমানায় এই মধুমতি, নবগঙ্গা আর ফটকী নদী।
ইউনিয়ন ও পৌরসভাভিত্তিক লোকসংখ্যা (স্ত্রী পুরুষ আলাদা) :

 শিক্ষার হার 

 ৪৪.৪১%

 পৌরসভা

 ১টি

 মৌজা

 ২২৩টি

 গ্রাম

 ২৬৭টি

 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 

 মহাবিদ্যালয় : ১৩ (২টি সরকারী)

 মাধ্যমিক বিদ্যালয়

 ৫৯টি(২টি সরকারী)

 নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়

 ১২টি

 ভোকেশনাল স্কুল

 ৪টি

 টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ 

 ৯টি

 সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় 

 ৯৭টি

 রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় 

 ৬৫টি

 কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

 ১১টি

 কেজি স্কুল 

 ৩০টি

 মাদ্রাসা  প্রাথমিক স্তরে 

 (মক্তব- ৪০টি, এবতেদায়ী-৩৬টি, ব্যক্তি পরিচালিত-৮টি)

 মাধ্যমিক স্তরে 

 ১৭টি

 উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে

 ৯টি

 

 

 

 

হাট-বাজার:মাগুরা সদর উপজেলায় মোট হাট/বাজারের সংখ্যা ৩৯টি। উক্ত হাট/বাজারগুলো উপজেলা পরিষদ হতে বাংলা সন হিসেবে ১লা বৈশাখ হতে ৩০ শে চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য দরপত্রের মাধ্যমে হাট-বাজার ইজারা নীতিমালা মোতাবেক বিক্রি করা হয়। ইজারালব্ধ অর্থ নীতিমালার বিভাজন মোতাবেক সংশ্লিষ্ট খাতে জমা প্রদান করা হয়ে থাকে।
রাস্তাঘাট:  এ উপজেলায় মোট রাস্তা ৬২৩ কিঃমিঃ। তন্মধ্যে বি.সি. রোড ১৬৮ কিঃ মিঃ, এইচ.বি.বি ২২ কিঃমিঃ এবং কাঁচা রাস্তা ৪৩৩ কিঃমিঃ। উপজেলার সাথে সকল ইউনিয়নে পাকা রাস্তার মাধ্যমে সংযোগ আছে। উপজেলা সদর থেকে সকল ইউনিয়ন পরিষদে শীতকালে জীপযোগে ভ্রমন করা যায়। তবে ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের ক্ষেত্রে বর্ষা মৌসুমে জীপযোগে যাতায়াত করা যায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটামুটি ভাল হলেও অধিকাংশ রাস্তাঘাট কাঁচা।
খেয়াঘাট: মাগুরা সদর উপজেলায় উল্লেখযোগ্য/বিক্রয়যোগ্য তেমন কোন খেয়াঘাট নেই।
নদ-নদী:৩টি (ফটকি নদী, কুমার নদী ও নবগঙ্গা নদী)।
চিরচেনা শান্ত নদী কুমার, নবগঙ্গা ও ফটকী এ অঞ্চলের অধিবাসীদের মাছের অভাব পূরণ করে আর নৌকাবিলাসের সাধ মেটায়।
খাল-বিল:  ১১ টি ১) গুয়েধা খাল, ২) সুমুরিয়া খাল, ৩) বড়াই খাল, ৪) আলমখালী খাল, ৫) হাওড়খালী খাল, ৬) হাজিপুর-দ্বারিয়াপুর খাল, ৭) নারানখালী খাল, ৮) সংকোচখালী খাল, ৯) মুচিখালী খাল, ১০) বাগডাংগা খাল, ১১) মাগুরা ডাইভারশান খাল।
প্রশস্ত বিল:  জগদল ইউনিয়নে ১,০২৪ হেক্টর, কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নে ৯৬৯ হেক্টর, চাউলিয়া ইউনিয়নে ৭১৩ হেক্টর, রাঘবদাইড় ইউনিয়নে ৬৬৩ হেক্টর, মঘি ইউনিয়নে ৬২৪ হেক্টর, গোপালগ্রাম ইউনিয়নে ৫০৩ হেক্টর, শত্রুজিৎপুর ইউনিয়নে ৪৪২ হেক্টর, আঠারখাদা ইউনিয়নে ৩২৭ হেক্টর, বেরইল পলিতা ইউনিয়নে ২৭৮ হেক্টর,মাগুরা পৌরসভায় ১০৫ হেক্টর, হাজরাপুর ইউনিয়নে ৭১ হেক্টর, কছুন্দি ইউনিয়নে ২১ হেক্টর সর্বমোট ৫৭৪০ হেক্টর প্রশস্ত বিল শ্রেণীর জমি। বিলগুলো সাধারণত কেন্দ্রের দিকে ঢালু। বর্ষাকালে ৬/৭ মাস প্লাবিত থাকে। প্লাবনের সময় গভীরতা ৯০ সেন্টিমিটারের বেশী কিন্তু ১৮০ সেন্টিমিটারের কম হয়। এখানে প্রাধানত গভীর পানির রোপা আমন ও বোরো ধানের আবাদ করা হয়। বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে, অনেক বিল ইতোমধে ভরাট হয়ে গেছে। বিলগুলো খনন এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন অনুভূত। এতে স্থানীয় জনগণের মৎস্যের চাহিদা কিছুটা হলেও লাঘব হওয়া সম্ভব।


এছাড়া উপজেলায় মাঝারী নীচু জমি রয়েছে - রাঘবদাইড় ইউনিয়নে ৪৮১ হেক্টর,হাজিপুর ইউনিয়নে ১৬৬ হেক্টর, বেরইল পলিতা ইউনিয়নে ১৩০ হেক্টর, কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নে ১২৫ হেক্টর, চাউলিয়া ইউনিয়নে ৯৭ হেক্টর, আঠারখাদা ইউনিয়নে ৭৮ হেক্টর, মাগুরা পৌরসভায় ৬৮ হেক্টর, গোপালগ্রাম ইউনিয়নে ৫৫ হেক্টর, জগদল ইউনিয়নে ৪৪ হেক্টর, হাজরাপুর ইউনিয়নে ৪২ হেক্টর, শত্রুজিৎপুর ইউনিয়নে ৮ হেক্টর মঘি ইউনিয়নে ৮ হেক্টর এবং অবশিষ্ট নীচু শ্রেণীর অন্তর্গত। নিচু জমি ৮ মাসের অধিককাল জলমগ্ন থাকে। জলমগ্নতার গভীরতা ১৮০ সেন্টিমিটারের বেশী থাকে। এলাকার শতকরা প্রায় ৫ ভাগ জমিতে খরিপখন্দে রোপা আমন ও রবিশস্যের (খেসারী) আবাদ হয়। শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ জমিতে বোরো আবাদ হয়। বাকী ৫ ভাগ জলাশয়ের কারণে অনাবাদী থাকে। জলাশয়গুলো সংস্কার করলে মৎস্য চাষের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।


অপ্রশস্ত বিল:মঘি ইউনিয়নে ৫৪ হেক্টর, হাজিপুর ইউনিয়নে ৩৩ হেক্টর,আঠারখাদা ইউনিয়নে ১১ হেক্টর, গোপালগ্রাম ইউনিয়নে ৪ হেক্টর সর্বমোট ১০২ হে জমি অপ্রশস্থ বিলের আওতায় অবস্থিত যাহা ৫/৬ মাস জলমগ্ন থাকে এবং জলমগ্নতার গভীরতা ৯০ সেন্টিমিটারের বেশী কিন্তু ১৮০ সেন্টিমিটারের কম হয়। এ ভূমি রূপের শতকরা প্রায় ৫ ভাগ জমিতে দ্বিতীয় খরিপ খন্দে রোপা-আমন ও রবি খন্দে রবিশস্য; ৬০ ভাগ জমিতে কেবলমাত্র রবিখন্দে বোরো; ১০ ভাগ জমিতে দ্বিতীয় খরিপখন্দে রবি শস্য; ২০ ভাগ জমিতে খরিপখন্দে বোনা আমন ও রবিশস্য এবং অবশিষ্ট ৫ ভাগ জমিতে গভীর পানির রোপা আমন চাষ করা হয়।
কৃষি  (ক) উপজেলার প্রধান প্রধান কৃষি ফসল ও শস্য বিন্যাস